সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোল্ডেন জুবিলি আওয়ার্ড পেয়েছেন নারী উদ্যোক্তা মেহেরপুরের নিলুফার ইয়াসমিন রুপা দুটি কথা (মাসাদুল সেখ) সোনিয়ার শরীরের ভেতর বেড়ে উঠছে আরেকটি শরীর সাভার ও আশুলিয়ার তিন কারখানাকে ক্ষতিপূরণ ধার্য মেহেরপুরে ইয়েস বাংলাদেশ এর উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ। মেহেরপুরে নিলুফার ইয়াসমিন রুপার বিরুদ্ধে মিথ্য, ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ‘‘যার নাম শুনলে ভয়ে ঘুমিয়ে যেত মায়ের কোলের শিশু’’ সেই রওশন আলী মেহেরপুর কারাগারে গাংনীর রাইপুর ইউনিয়নে নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ গাংনী ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন ছিনতাইয়ের পাঁচদিন আগে আমঝুপি নীলকুঠিতে পরিকল্পনা করে ছিনতাইকারীরা

মেহেরপুরে নিলুফার ইয়াসমিন রুপার বিরুদ্ধে মিথ্য, ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ

মেহেরপুরে সংবাদ প্রকাশের নামে হুমকি দিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি ও হত্যার হুমকীর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিলুফার ইয়াসমিন রুপা ও তার পরিবার।

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় মেহেরপুর শহরের নিলুফার ইয়াসমিন রুপার নিজ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিলুফার ইয়াসমিন রুপা বলেন, গত ১১ আগস্ট ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি নাম সর্বস্ব পত্রিকার সম্পাদক পরিচয়ে আলী হোসেন নামের এক ব্যাক্তি আমাকে ফোন করে আমার সম্পদের হিসাব চেয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। এবং টাকা দেবার জন্য তিন দিন সময় বেঁধেদেন। এর পর গত ১২ আগস্ট দৈনিক শ্যামবাজার পত্রিকার খুলনা বিভাগীয় চিফ আতাউর রহমান ও মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি তারিকুল ইসলাম নামের দুইজন ব্যাক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে আমার বাসায় এসে পাঁচ লক্ষ টাকা না দিলে আমার নামে সংবাদ প্রকাশ করে সামাজিক ভাবে মানহানির ভয় দেখান। এর পর গত ১৬ আগষ্ট থেকে আমার নামে তাদের মনগড়া কল্পকাহিনী দিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশন করতে থাকেন। মনগড়া কল্পকাহিনীর মত ভুল তথ্য পকাশ করায় আমি ওই সংবাদের তিব্র নিন্দা জানাই।

আতাউর রহমান বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে আমি গত ১৮ আগষ্ট থানায় এজাহার দিলে মেহেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে খুলনা সাইবার ট্রাইবুনালে একটা মামলা দায়ের করি যা সিআইডিতে তদন্তাধীন রয়েছে। ৬ সেপ্টম্বর মেহেরপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে দ:বি আইনের ৪৯৯/৫০০/৫০১/৫০৬ ধারায় ৬ জনকে আসামি করে এক কোটি টাকা মানহানীর মামলা দায়েরও করি। এর পর পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আলী হোসেন নিজেকে মেহেরপুরের এক প্রভাবশালী ব্যাক্তির ভাইয়ের জামায়ের পরিচয়ে আমাকে খুন ও গুম করার হুমকী দেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নিলুফার ইয়াসমিন। সেই সাথে অপসাংবাদিকতা পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,নারীবান্ধব সরকারের আমলে নারীদের সম্মানহানি করা হচ্ছে। আমার স্বামী ও আমি চারটি ব্যবাসা প্রতিষ্ঠান চালাই। আমারও অনেক সফলতার গল্প আছে। এছাড়াও আমি নারী সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে নারী উদ্যক্তা হিসেবে কাজ করি। সেসকল সফলতার কথা না লিখে টাকা না পেয়ে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

 

এবিষয়ে পত্রিকার প্রতিনিধি আতাউর রহমানকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে রিসিভ না করায় তার মতামত জানা যায়নি।
সাংবাদিক সম্মেলনে রুপার স্বামী বাবুল আক্তার মিঠুসহ ইলেক্ট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন