সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোল্ডেন জুবিলি আওয়ার্ড পেয়েছেন নারী উদ্যোক্তা মেহেরপুরের নিলুফার ইয়াসমিন রুপা দুটি কথা (মাসাদুল সেখ) সোনিয়ার শরীরের ভেতর বেড়ে উঠছে আরেকটি শরীর সাভার ও আশুলিয়ার তিন কারখানাকে ক্ষতিপূরণ ধার্য মেহেরপুরে ইয়েস বাংলাদেশ এর উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ। মেহেরপুরে নিলুফার ইয়াসমিন রুপার বিরুদ্ধে মিথ্য, ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ‘‘যার নাম শুনলে ভয়ে ঘুমিয়ে যেত মায়ের কোলের শিশু’’ সেই রওশন আলী মেহেরপুর কারাগারে গাংনীর রাইপুর ইউনিয়নে নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ গাংনী ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন ছিনতাইয়ের পাঁচদিন আগে আমঝুপি নীলকুঠিতে পরিকল্পনা করে ছিনতাইকারীরা

৭৬ বছর বয়সেও তার ব্রেইন ছিল ২৫ বছরের যুবকের মতো!

ঊনিশশো পঞ্চান্ন সালের আঠারোই এপ্রিল বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন মারা যায়। তার দেহ নিইজার্সির একটি হিম ঘরে রাখা হয়। যদিও শেষ ইচ্ছে ছিল তার মারা যাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকতা সঠিক ভাবে সম্পন্ন হোক। কিন্তু প্যাথলজিস্টরা তাতে বাধা দেয়। এত বড় বিজ্ঞানীর মরদেহ এইভাবে মাটি চাপা দিয়ে নষ্ট না করতে ক্ষোভ প্রকাশ করে।

এরই মধ্যে একজন প্যাথলজিস্ট কেবল আইনস্টানের মাথার ব্রেন ও তার চোখ দুটোও খুলে চুরি করে নিয়ে যায়। ডক্টর হার্ভি নামে সে প্যাথলজিস্ট নিজের কাছে আইনস্টাইনের ব্রেন রেখে, চোখ দুটো আইনস্টাইনের চোখের ডক্টরের কাছে পাঠিয়ে দেন। পরে সেগুলোকে নিউইয়র্কে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এদিকে বিজ্ঞানের কল্যাণে ডক্টর হার্ভি আইনস্টাইনের ব্রেন-কে দুশো চল্লিশ টুকরো করেন।

আর বিশ্বের বিভিন্ন বিজ্ঞানীর কাছে স্লাইড আকারে পাঠিয়ে দেন। পাঠানো বিভিন্ন স্লাইডের মাধ্যমে জানা যায় সাধারণ মানুষের আইকিউ লেভেল যেমন নব্বই থেকে একশো দশ থাকে সেখানে আইনস্টাইনের ছিল একশো ষাট থেকে একশো নব্বই পর্যন্ত। আইনস্টাইনের মস্তিস্ক সাধারণ মানুষের থেকে ছোটো হলেও তার মধ্যে একটি অংশের নাম ছিল ইনফেরিয়ার প্যারাইটাল ।

যেটার পরিমান তার মস্তিষ্কে ছিল পনেরো শতাংশেরও বেশি। মজার বিষয় হচ্ছে মস্তিষ্কের এই অংশ ভাষা আর গণিতের জন্য ব্যবহৃত হয়। ছিলবিয়া ফিশার নামের একটা ফাটল সবার মস্তিষ্কে থাকে। কিন্তু ছিল না আইনস্টাইনের মস্তিষ্কে। এমনকি লিপুফুল সিল নামে একটা পদার্থ না থাকার কারণে ছিয়াত্তর বছর বয়সেও আইনস্ট্রেনের ব্রেন ছিল একজন পঁচিশ বছর বয়সের যুবকের মত।

ডক্টর হারভি তার গবেষণার এক পর্যায়ে কোন এক অজ্ঞাত কারণে আইনস্ট্রেনের ব্রেনের একটা অংশ, একটি রুমে, চল্লিশ বছর সংরক্ষণ করে রাখে। তারপর ন্যাশনাল মিউজিয়াম হেলথ এন্ড মেডিসিন এ পাঠিয়ে দেয়। আর এভাবেই এখন বিশ্বের বিভিন্ন মিউজিয়ামএ বিভিন্ন জায়গায় আইনস্টানের ব্রেন এর আরো অনেকগুলো স্লাইট জমা আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন